April 19, 2026, 12:43 pm

মেয়র তাপসের সদরঘাট-পাটুয়াটুলি পরিদর্শন

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ঃপ্রকৃতির বৈরীতা উপেক্ষা করে ছুটির দিনে পূর্বনির্ধারিত সদরঘাট, চিত্ত রঞ্জন এভিনিউ ও পাটুয়াটুলি এলাকা
পরিদর্শন করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

গতকাল শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটা হতে বিকেল পর্যন্ত ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল, টার্মিনাল সংলগ্ন সড়ক ও পার্কিং লট, সদরঘাট হতে আহসান মঞ্জিলমুখী সড়ক, পটুয়াটুলি সড়ক এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পথচারী সেতু (ওভার ব্রিজ) সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সেখানে সড়ক অন্তর্জাল সৃষ্টিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নানাবিধ দিকনির্দেশনা দেন।

মূলতঃ আহসান মঞ্জিল, লালকুঠি ও রুপলাল হাউজ ঘিরে সেখানকার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে নানামুখী উদ্যোগ এবং সমন্বিত মহাপরিকল্পনার আওতায় পোস্তগোলা থেকে বসিলা পর্যন্ত ৬ সারি সড়ক অন্তর্জাল সৃষ্টির যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, তা বাস্তবায়নের আগে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতা স্বশরীরে প্রত্যক্ষ করা এবং বাস্তবভিত্তিক দিকনির্দেশনা দিতে দক্ষিণ সিটির মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস এই পরিদর্শনে যান।

এ সময় ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস টার্মিনালের সম্মুখ, টার্মিনাল হতে ডান ও বামের সড়কে প্রয়োজনীয়তা অনুসারে প্রশস্ত হাঁটার পথসহ (ফুটপাত) কোথাও ৪ সারি আবার কোথাও ২ সারি সড়ক গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। এছাড়াও চিত্ত রঞ্জন এভিনিউ ও পাটুয়াটুলি সংলগ্ন সড়ক হতে আহসান মঞ্জিল, ইসলামপুর ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়মুখী সড়ক ও সড়কের মোড় (ইন্টারসেকশন) প্রশস্ত করে নিরবিচ্ছিন্নভাবে যান চলাচল উপযোগী যোগাযোগ ব্যবস্থা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এরপর ঢাদসিক মেয়র জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পথচারী সেতুর উপর-নিচ ঘুরে ঘুরে এর ব্যবহার উপযোগিতা প্রত্যক্ষ করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

এছাড়াও ঢাদসিক মেয়র এ সময় সম্পত্তি কর্মকর্তাকে এই সড়ক অন্তর্জাল সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি কর্তৃক দখল করা বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার নির্দেশ দেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ, অঞ্চল-৪ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হায়দর আলী, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আব্দুর রহমান মিয়াজী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী মো. বোরহান উদ্দিন, সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মুনিরুজ্জামান, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. সিরাজুল ইসলাম, অঞ্চল-৪ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হারুনর রশীদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা